শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বেড়েছে নদী ভাঙন

কক্সবাজার ব্যুরো / ৩৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদী ও প্লাবিত জনপদ থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পানি নামতে শুরু করলেও দুর্গত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয়েছে।

জেলার চকরিয়া, পেকুয়া, ঈদগাও, রামু ও সদর উপজেলার লাখো মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এতে বন্যাকবলিত মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে রয়েছেন।
এছাড়াও পাহাড়ি ঢলের কারণে রামু-ঈদগড় সড়কের পানের ছরা ঢালায় বিরাট অংশ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

পাহাড়ি ঢলের পানি কমলেও জেলার মাতামুহুরি ও বাকখালী নদীর ভাঙন বাড়ছে। মাতামুহুরি নদীর বেশ কয়েকটি পয়েন্টে শুক্রবারও ভাঙনের ফলে শতাধিক বাড়ি-ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মাতামুহুরি নদীর ফাসিয়াখালী, কৈয়ারবিল, কাকারা, বিএমচর, পূর্ব বড়ভেওলা, শাহারবিল, চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, বাকঁখালী নদীর গর্জনীয়া, রাজারকুল, মিঠাছড়ি, ঝিলংজা, রামু পয়েন্টে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জানায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের ৫২৫টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৭৬ হাজার ৫০০ পরিবারের ৪ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতির শিকার হয়েছে। জেলার ৭১ ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভার মধ্যে ৫১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবারের বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ৩২ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, প্লাবিত এলাকার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০০ মেট্টিক টন চাল, ২ হাজার পেকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনের আরও জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ