শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

রেমিটেন্স গ্রহণকারী দেশের মধ্যে ৮ম স্থানে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক / ৩৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১

বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদন ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশ ৮ম বৃহত্তম রেমিটেন্স গ্রহণকারী দেশ এবং ৬ষ্ঠ বৃহত্তম অভিবাসী প্রেরণকারী দেশ।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপর বুধবার তার ফ্ল্যাগশিপ ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট ২০২২ প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যায়- দুর্যোগ, সংঘর্ষ ও সহিংসতায় অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এমন একটি সময়ে যখন কোভিড-১৯ এর কারণে ভ্রমণে সীমাবদ্ধতায় বিশ্বব্যাপী গতিশীলতা স্থবির হয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনটি গত দুই বছরের অভিবাসনের অগ্রগতির উপর নজর দিয়ে ঐতিহাসিক এবং সমসাময়িক কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে বিশ্লেষণ প্রদানের উপর জোর দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে বিশ্বে প্রায় ২৮১ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক অভিবাসী ছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে ৭.৪০ মিলিয়ন বাংলাদেশি অভিবাসী বাস করত বিদেশে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বসবাস করা সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী বিদেশে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী দেশে ২০১৯ সালে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি পাঠিয়েছে, এর ৭৩ শতাংশ এসেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোতে কর্মরতদের থেকে।

এই রেমিটেন্স জিডিপির ৬.০ শতাংশেরও বেশি, যা কিনা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশী আয়ের উৎসের প্রতিনিধিত্ব করে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রচেষ্টায় উৎসাহিত এবং সহজতর করায় রেমিটেন্স বৃদ্ধিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১৯ সালের ঊর্ধ্বসীমা তিনগুণেরও বেশি বাড়িয়েছে নগদ প্রণোদনা স্কিম-যার মাধ্যমে রেমিটেন্স সুবিধাভোগীরা অনুমোদিত সিস্টেম ব্যবহার করে স্থানান্তরের উপর প্রতি ২.০ শতাংশ বোনাস পান।

এছাড়া, কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স প্রেরণ উৎসাহিত করতে অতিরিক্ত এক শতাংশ ইনসেনটিভ প্রদান করছে।- বাসস


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ