বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১৯ জুলাইয়ের সমাবেশ ঘিরে চারজোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনার অনুমতিকে স্বাভাবিক ও পূর্বপ্রচলিত নিয়মের অংশ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেল মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “রাজনৈতিক দলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ ট্রেন পরিচালনার পূর্বেও নজির রয়েছে। এটি রেলওয়ের একটি নিয়মিত, বাণিজ্যিক কার্যক্রম—রাজনৈতিক পক্ষপাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।”
রেলওয়ে বলেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ট্রেন পরিচালনা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চলছে, যা তথ্যের ঘাটতির কারণে হচ্ছে। আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিশেষ ট্রেন ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ভাড়া আগাম পরিশোধ করা হয়েছে। এতে রেলওয়ের রাজস্ব বাড়ছে এবং সাধারণ ট্রেনযাত্রীরা বাড়তি চাপ থেকে মুক্ত থাকছেন।
বিশেষ ট্রেনগুলো সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে ও নির্ধারিত রেক দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি হবে না। বরং টিকিটবিহীন যাত্রা কমে আসবে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজনৈতিক দলের অনুরোধে, নির্ধারিত নিয়ম মেনে বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।