শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

পরিবর্তন হচ্ছে নতুন যমুনা রেলসেতুর নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪

যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন নামে আগামী বছরের (২০২৫)  জানুয়ারিতে এ সেতু উদ্বোধনের কথা রয়েছে। তবে নবনির্মিত রেল সেতুর নাম কি দেওয়া হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। ইতোমধ্যে রেল সেতুর ওপর দিয়ে ট্রায়াল ট্রেন চালানো হয়েছে। 

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, শোনা যাচ্ছে উদ্বোধনের আগেই রেল সেতুর নাম পরিবর্তন করা হবে। তবে নাম এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা এই সেতুর কাজ আগামী ডিসেম্বর মাসে শেষ হবে। এরপর জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এটি চালু হতে পারে। যমুনা সেতুর ৩০ মিটার দূরত্ব রেখে নতুন রেল সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

১৯৯৮ সালে চালু হওয়া যমুনা সেতুতেও পরে রেলপথ যুক্ত করা হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুর কাঠামোগত সমস্যা দেখা দেওয়ায়– ট্রেনের গতি বেশ কম রাখতে হয়। আবার যমুনা সেতুর পূর্ব স্টেশন থেকে ট্রেন সেতুতে প্রবেশ করলে, পশ্চিম স্টেশন প্রান্তে অন্য ট্রেনকে অপেক্ষা করতে হয়। বর্তমানে ২০ কিলোমিটার গতিসীমা নিয়ে গড়ে ৩৮টি ট্রেন যমুনা সেতু পাড়ি দেয়।

আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৯৬ শতাংশ। আর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৯৯ শতাংশ। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ আমরা ট্রেন চলাচলের সব কাজ সম্পন্ন করতে পারবো। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এই সেতু রেল চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে চাই। ডিজিটাল কম্পিউটার-বেজড সিগন্যাল ইনস্টল করতে এপ্রিল পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে এই বিলম্বের কারণে রেল চলাচলে সমস্যা হবে না, কারণ সাময়িকভাবে এনালগ সিগন্যাল ব্যবহার করা যাবে।

রেলসেতুর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক বলেন, বঙ্গবন্ধু রেল‌ সেতুর নাম এখনও প‌রিবর্তন হয়‌নি। ত‌বে উচ্চ পর্যা‌য়ে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হ‌চ্ছে। সেতুর উদ্বোধনের আগে হয়তো রেল সেতুর নাম প‌রিবর্তন হ‌তে পা‌রে। রেলও‌য়ে কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ‌্যমেই এটির উদ্বোধন করা হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ