চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী-নানুপুর চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি, কুমিল্লার যৌথ আয়োজনে চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবিরে প্রায় এক হাজার রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১২০ জন রোগীকে চোখের অপারেশনের জন্য কুমিল্লায় নেওয়া হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বাগাদী-নানুপুর চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত চাঁদপুরজমিন টাওয়ারে এ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় দৈনিক অনুপমা ও দৈনিক চাঁদপুরজমিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান রোকন।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন দৈনিক চাঁদপুরজমিন পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আহমেদ, কুমিল্লা অন্ধ কল্যাণ সমিতির ম্যানেজার মো. দেলওয়ার হোসেন, বাংলা ৫২-এর ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি জাকির হোসেন, কোড়ালিয়া পীর বাদশা মিয়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন মাতাব্বর, বড়স্টেশন রেলওয়ে দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম এবং দৈনিক চাঁদপুরজমিনের ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি মো. জামাল হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন যেন আল্লাহ তাঁকে মানুষের কল্যাণ ও সেবায় নিয়োজিত রাখেন—এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চান। তিনি বলেন, ২০০১ সালে চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মানুষের চিকিৎসাসেবা ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, তাঁর মরহুম পিতা হাজী লোকমান মিয়া জীবদ্দশায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। বাবার আদর্শ অনুসরণ করে তিনিও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান। হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে চিকিৎসক এনে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে, যাতে এলাকার মানুষ ও অসহায় রোগীরা অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন।
বক্তব্যের শেষে তিনি সবার দোয়া কামনা করেন। পরে বাগাদী জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।