শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

চমেক হাসপাতালে চলছে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা

চট্টগ্রাম ব্যুরো / ২২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চালু হয়েছে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ইনফার্টিলিটি ইউনিট। এটি দেশে এ চিকিৎসায় দ্বিতীয় ইউনিট। স্বাধীনতার পর চট্টগ্রামে প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ইনফার্টিলিটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চিকিৎসাটি ব্যয়বহুল হওয়ায় চট্টগ্রামের মত বিভাগীয় শহরেও ছিল না এ সেবা।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ হাসপাতালে ইনফার্টিলিটি ইউনিট চালু হয় গত ফেব্রুয়ারি মাসে। চালুর পর থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭০৭ জন। এর মধ্যে নতুন রোগী ২৮৯ জন, পুরনো রোগী ১৯৮ জন এবং ট্রান্সভ্যাজাইনাল সনোগ্রাফি (টিভিএস) করেছেন ২২০ জন।
চিকিৎসকরা বলছেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৮০ শতাংশ দম্পতির এই জটিলতা নিরসন সম্ভব। এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও সচেতনতা মেনে চলা জরুরি। তবে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো না থাকায় চট্টগ্রামে এই বিষয়ে ছিল না কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ফলে স্ত্রী ও প্রসূতিরোগ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে চলতো চিকিৎসা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী বলেন, চট্টগ্রামে বন্ধ্যাত্ব নিয়ে চিকিৎসা নেই বললেই চলে। বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরেও এর কোনো সঠিক সমাধান পাওয়া যায় না। তবে চমেক হাসপাতালে এ চিকিৎসা চালু হওয়ায় রোগীদের সুফল মিলবে।

চমেক হাসপাতালে ইনফার্টিলিটি বিভাগের প্রধান ডা. তাসলিমা বেগম বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা এক সময় রাজধানী ঢাকা ছাড়া অন্য কোথাও হত না। তাই অনেকে বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে চলে যেত। বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চমেক হাসপাতালে এর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সদ্য প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিটে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। এর মধ্যেও আমরা চিকিৎসা সেবা প্রদান করছি। কোনো কিছু শুরু না হলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তিনি বলেন, রোগীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন এ ইউনিটের সকল চিকিৎসক ও নার্স। এই চিকিৎসা অনেকটা ব্যয়বহুল। তবে সরকারি হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে কম খরচে চিকিৎসা পাচ্ছেন রোগীরা।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে চমেক হাসপাতালে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ইনফার্টিলিটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। নতুন ইউনিট চালু হলে প্রথম দিকে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, এখানেও আছে। সকলের সদিচ্ছায় ইউনিটটি এগিয়ে যাবে। এখানে সাধারণ ও গরীব রোগীরা কম মূল্যে চিকিৎসা নিতে পারবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ