শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। চর ও নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী চর ও দ্বীপচরের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে জমির বিভিন্ন ফসল। ঘরবাড়িতে পানি উঠায় অনেকে সড়ক ও বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছেন।শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় স্থানীয় পাউবোর তথ্যমতে, ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সে.মি এবং ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তা নদীর পানিও সেতু পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার নীচে অবস্থান করছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানিবন্দী হয়েছে বিভিন্ন চর ও দ্বীপচরের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। চর ও নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায় লোকজন বিপাকে পড়েছেন।

বন্যায় ইতোমধ্যে ১০ হাজার ৯৫ হেক্টর রোপা আমন, বীজতলা ও শাক-সবজি তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার গ্রামীণ সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঘরে বন্দী রয়েছেন অনেকেই।

উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন আরটিভি নিউজকে জানান, ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তার ইউনিয়নে দেড় হাজার বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এরমধ্যে চর গুজিমারীতে ৪ শতাধিক, দাগারকুটিতে ৪ শতাধিক, গাবুরজানে ৩শতাধিক, বাবুর চরে ২শতাধিক এবং নয়াডারায় ২ শতাধিক পরিবার। এরকম অনেক মানুষের এখন বন্যায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা দাঁড়িয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষিবিভাগের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হক আরটিভি নিউজকে জানান, চলতি বন্যায় জেলায় ১০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রোপা আমন ৯ হাজার ৯৪৫ হেক্টর, শাক-সবজি ১৩০ হেক্টর এবং বীজতলা ২০ হেক্টর।

এদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম আরটিভি নিউজকে জানান, সব উপজেলায় বন্যার্তদের সহায়তায় নগদ ১২ লাখ টাকা এবং ২৮০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হলে তা আজ থেকে বিতরণ শুরু হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ