পৃথিবী যতই এগিয়ে যাচ্ছে নানা রকম ফিতনা ততই দৃশ্যমান হচ্ছে। সামাজিক অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের সব সরঞ্জাম হাতের মুঠে থাকায় চারিত্রিক অবক্ষয়ও একদম ...বিস্তারিত
হিজরি নববর্ষের প্রথম মাস মহররম মুসলিমদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামপূর্ব আরবের অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজেও এই মাসের বিশেষ মর্যাদা ছিল। মহররম কোরআনে ঘোষিত পবিত্র চার মাসের অন্যতম। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই মাসগুলোর গণনা আল্লাহর
মহান স্রষ্টা রব্বুল আলামিন সমস্ত মাখলুকাত সৃষ্টির পর নিজেকে আত্মপ্রকাশ করার ইচ্ছা পোষণ করলেন, এরপর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে, ভালোবাসা ও নিজ কুদরতি হাত দিয়ে সৃষ্টি
আল্লাহ রাত ও দিনকে সৃষ্টি করেছেন। সব দিনের মধ্যে জুমাবার বা শুক্রবারকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।
অপরের ভুলত্রুটি ক্ষমা করা এবং অন্যের অসদাচরণের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করা মুমিনের অনন্য একটি গুণ। এই গুণ বা বৈশিষ্ট্য অর্জনের মাধ্যমে একজন মানুষ খুব সহজেই সবার প্রিয় হয়ে উঠতে পারে
পুণ্যের বসন্ত মহিমান্বিত রমজান বিদায় নিয়েছে। রমজান বিদায় নেওয়ার পর সংযম ও সাধনার জীবন পরিহার করছে বহু মানুষ। অথচ রমজানের দাবি হলো—পাপমুক্ত যে জীবনের অনুশীলন মুমিন রমজানে করেছিল, তা রমজানের
মাহে রমজানের রোজার কমতি পুণ্যকে পূর্ণ করতেই শাওয়ালের ছয়টি রোজা। শাওয়ালের ছয়টি রোজার মাধ্যমে রমজানের রোজা আদায়ের তাওফিকের শুকরিয়াও আদায় করা হয়। যখন কোনো বান্দার আমল আল্লাহ তাআলা কবুল করেন,
পবিত্র মাহে রমজান আল্লাহকে একান্ত করে আপন করে নেয়ার মাস এবং নিজেকে পরিশুদ্ধ করে নেয়ার মাস। এ মাসের বিশেষ মাহাত্ম হচ্ছে লাইলাতুল কদর। তাইতো মুমিনের হৃদয় কাঁদে লাইলাতুল কদরের প্রত্যাশায়।