শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন

এত রক্ত, এত ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

দর্পণ ডেস্ক / ২৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যকে পরিবর্তন করতেই হবে।  এত রক্ত এত ত্যাগ, এটা কখনো বৃথা যেতে পারে না।  এটা বৃথা যেতে আমরা দিতে পারি না, আমরা দেব না।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল) ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ দেওয়া হয়।  যারা মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন তাদের স্বজনদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে সরকার প্রধান বলেন, এইটুকু শুধু বলতে পারি, দীর্ঘ ৪০ বছরে আজকের উন্নয়নশীল বাংলাদেশে।  কিন্তু আমি ৮০ সালে লন্ডনে যাই তখন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসার জন্য সেখানে আপ্রাণ চেষ্টা করি। বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে একত্রিত করা, সংগঠন গড়ে তোলা সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সেটা আমি করতাম। তাছাড়া ১৯৮০ সালে রেহানা প্রথম তার বক্তব্য সে নিয়ে এসেছিল জাতির পিতার হত্যার বিচারের দাবি নিয়ে। সেটা ৭৫’র পর বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রদূত ছিলেন ড. রাজ্জাক।  তিনি সুইডেনে ছিলেন।  তিনি সেই সময় এই ঘটনার পর পদত্যাগ করেন।  তিনি বলেছিলেন আমি মিলিটারি ডিটেকটর সরকারের অধীনে চাকরি করব না।  তিনি একটা সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন।  সেই সম্মেলনে রেহানা যায়, তখন সে সেখানে বক্তব্য রাখে।  হত্যার প্রতিবাদ জানায়।  বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার দাবি জানায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অন্তত এইটুকু করতে পেরেছি যে বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নশীল দেশ।  বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ