২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হবে।
শনিবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফল জানার পদ্ধতি ও ফলাফল-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আগামী ২৬ অক্টোবর, সোমবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর। এর আগে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার সূচি নির্ধারিত ছিল।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের জন্য সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছিল।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
অন্যদিকে, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এর আগে ২০২৫ সালে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২৪২ জন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৫ লাখ ৯৮ হাজার ১৬৬ জন। পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
গত বছরের পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৩ হাজার ২১৯ জন শিক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ২৬৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৬১০ জন।