শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দর্পণ ডেস্ক / ১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মার্চ দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। ওই দিন কাহারোল উপজেলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির সূচনা করা হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি জানান, এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন করা হবে। একই দিনে দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি চার বছর মেয়াদি কর্মসূচি এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমিয়ে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সাধারণ শ্রমিকদের দিয়ে করানো হয়, যাতে গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তরুণ প্রজন্ম দেশ গঠনের কাজে সরাসরি অংশ নিতে পারে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ