শিরোনাম
চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা এজাহরা আল মানসুরি অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

ধনাগোদা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা নদী পাড়ের বাসিন্দারা

মতলব প্রতিনিধি / ৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মোবারকদি এলাকায় ধনাগোদা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বসতঘর, রান্নাঘরসহ বেশ কিছু স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে হঠাৎ ঝড়ে নদীর পাড় ঘেঁষে স্থাপিত এসব ঘর মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে পড়ে নদীতে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, নদীগর্ভে বিলীন হওয়া ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন—মমতাজ বেগম (পিতা মৃত দিলু পেদা), মজু মিয়া (পিতা মৃত আবেদ শেখ), মনোয়ারা বেগম (স্বামী হোসেন মিয়া), কুলসুমা বেগম (স্বামী মৃত ইদ্রিস গাজী) এবং জয়নাল গাজী (পিতা মৃত ইসহাক গাজী)।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, নদী ভাঙনের কারণে এখনো শতাধিক পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যে কোনো সময় আরও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে তারা।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক মনির হোসেন মাতব্বর বলেন, “নদী পাড়ের এই ভয়াবহ ভাঙনে আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। বসতভিটা হারানোর ভয় আমাদের ঘিরে ধরেছে। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা আমাদের মতো দরিদ্র মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।”

নদী পাড়ের বাসিন্দারা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসকের কাছে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তারা পুনরায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেন।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে ধনাগোদা নদীর ভাঙনে পুরো এলাকাই বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ