জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সংস্থাটি। দপ্তরে অনুপস্থিতি, দেরিতে আসা কিংবা বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এনবিআর।
শুক্রবার (২৭ জুন) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান আন্দোলনের কারণে মাঠ পর্যায়ের সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। তাই কোনো কর্মকর্তা সশরীরে উপস্থিত না থাকলে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনবিআরের কড়া অবস্থানের মধ্যে শনিবার (২৮ জুন) ‘মার্চ টু এনবিআর’ এবং ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংকট নিরসনে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) জরুরি বৈঠক করে। সেখানে তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—আন্দোলন প্রত্যাহার, দুটি বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা এবং ১ জুলাই ত্রিপক্ষীয় আলোচনা।
এনবিআরের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এনবিআর ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ভেঙে আলাদা দুটি বিভাগ (রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা) গঠনের সিদ্ধান্তে তাঁদের পদোন্নতি ও পদ সংরক্ষণ উপেক্ষিত হচ্ছে। তাঁরা চেয়ারম্যানের অপসারণও দাবি করেছেন।
সরকার মনে করছে, এ অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে রাজস্ব আহরণ ও ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত সমাধান খুঁজছে অর্থ মন্ত্রণালয়।