শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

ভূ উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দর্পণ ডেস্ক / ২৮৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

পানির অপচয়রোধ ও পানির যত্নে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ভূগর্ভের পানির বদলে ভূ উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি সোমবার (৪ এপ্রিল) বিশ্ব পানি দিবস-২০২২ উপলক্ষে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পানির অপর নাম জীবন। কাজেই পানি সম্পদকে রক্ষা করা এটা আমাদের একান্তভাবে প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “ভূগর্ভের পানি যত কম ব্যবহার করা যায়, আর ভূ উপরিস্থ পানির যত বেশি ব্যবহার করা যায় সে দিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা সমস্ত পরিকল্পনা নিচ্ছি।”

এসময় পানির অপচয়রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “পানির অপচয় রোধ করতে হবে। আমাদের যে পানিসম্পদ আছে, সেটার যত্ন নিয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মের ব্যবহার উপযোগী রাখতে হবে। পানিসম্পদ নষ্ট হয়ে গেলে কোনো সম্পদই থাকবে না।”

তিনি বলেন, “বৃষ্টির পানি ভূগর্ভে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সব জায়গায় সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ করে দিলে হবে না। আশপাশের জলাধারে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মোট আয়তনের এক-তৃতীয়াংশ পানি সম্পদ। এদেশের মানুষের জীবন-জীবিকা আবহমান কাল ধরে পানিকে ঘিরে আবর্তিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিজেকে পানির দেশের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতেন। নদী ও মৌসুমি বন্যাকে তিনি জীবনেরই অংশ হিসেবে ভেবেছেন। কিন্তু নদীমাতৃক বাংলাদেশে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নদী মরে গেছে। অপরিকল্পিত বাঁধ ও রাস্তাঘাট নির্মাণ, উজান থেকে নেমে আসা পলিমাটি, নদী ভাঙন ইত্যাদি কারণে আমাদের নদীগুলো ভরাট হয়ে গেছে। হারিয়ে ফেলেছে পানি ধারণ ক্ষমতা ও নাব্যতা। তাই আমরা ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর গতিপথ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছি।”

তিনি বলেন, “সেই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ শক্তিশালী করা হচ্ছে। প্লাবনভূমির সঙ্গে নদীর সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় নদীর তীর বরাবর বাফারজোন তৈরির উপর।”

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাতের সঙ্গে পানি নিরাপত্তার বিষয়টি নিবিড়ভাবে যুক্ত। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ বিভিন্ন দৃশ্যকল্প বিবেচনা করে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তৈরি করতে হয়।”

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম ও সচিব কবির বিন আনোয়ার।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ