শিরোনাম
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

হাসিনা-মোদি ভার্চুয়াল বৈঠক, সুসম্পর্কের নতুন মাত্রা

সম্পাদকীয় / ৩৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
হাসিনা-মোদি

এবারের বিজয় দিবসের ঠিক একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে সাতটি খাতে দেশ দুটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে। কৃষি, বাণিজ্য, জ্বালানিসহ সাত খাতে সমঝোতা স্মারকগুলো সম্পাদিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায়।

সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে সংশ্লিষ্ট সাত মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সচিব বা শীর্ষ কর্মকর্তা এবং ভারতের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী সই করেন।

সমঝোতা স্মারকগুলো হচ্ছে- কৃষি খাতে সহযোগিতা, হাইড্রোকার্বনে সহযোগিতার বিষয়ে রূপরেখা, হাতির সুরক্ষায় অভয়ারণ্য নিশ্চিত করা, নয়াদিল্লির জাদুঘরের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সহযোগিতা, হাই ইমপ্যাক্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প চালু, বাংলাদেশ-ভারতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফোরামের টার্মস অব রেফারেন্স এবং বরিশালে সুয়্যারেজ প্রকল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়ার কথা বলেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘প্রতিবেশীর অগ্রাধিকার’ নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে তার সরকার এবং এই নীতির এক নম্বর স্তম্ভ হচ্ছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক ঐকমত্য রয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে দুই দেশই নিজ নিজ অর্থনীতিকে আরও সংহত করতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, দুই দেশের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক নির্ভরতাকে আমরা আনন্দের সঙ্গে স্বীকৃতি দিই। ভার্চুয়াল বৈঠকে ৫৫ বছর পর বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ির মধ্যে রেল করিডরেরও উদ্বোধন করেন দুই প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় ওই রেলপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

বলার অপেক্ষা রাখে না, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে একটা সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল সম্মেলনের পর এই সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলা যায়। ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যে সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছিল, বাংলাদেশ তা কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করে থাকে।

ভারতও বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে উৎসাহী এবং দেশটির এই উৎসাহ কার্যক্ষেত্রেও প্রমাণিত হয়েছে বহুবার। তবে দুই দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও বাস্তব ক্ষেত্রে সেসব বিষয় সমস্যাক্রান্ত হয়ে রয়েছে। তিস্তার পানি বণ্টন ইস্যুটি সেগুলোর অন্যতম।

এই নদীর পানি বণ্টন চুক্তি হয় হয় করেও হচ্ছে না। আমরা আশা করব, চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হবে এবং তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সীমান্তে হত্যাও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বাধা বৈকি।

নরেন্দ্র মোদির সরকারের উচিত হবে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আমরা চাই দুই দেশের সম্পর্ক অকৃত্রিম, অকপট ও নিশ্ছিদ্র হবে, যাতে কোনো ধরনের ইস্যুই আর অমীমাংসিত থাকবে না।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ