শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

মতলব উত্তরে বিলুপ্তির পথে বিলের পাখি ডাহুক

মতলব উত্তর প্রতিনিধি / ৪২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডাহুক নামটি অনেক সুন্দর হওয়ায় পল্লী কবি জসিম উদ্দিনসহ অসংখ্য লেখকের গান, গল্প, কবিতা ও নাটকে বহুবার উঠে এসেছে এই পাখির নামটি। নিসর্গের কবি জীবনানন্দ লিখেছেন, মালঞ্চে পুষ্পিতা অবনতামুখী/ নিদাঘের রৌদ্রতাপে একা সে ডাহুকী/ বিজন তরুণ শাখে ডাকে ধীরে ধীরে/ বনচ্ছায়া অন্তরালে তরল তিমিরে।


চাঁদপুরের বৈচিত্রপূর্ণ জনপদ মতলব উত্তর  উপজেলায় গ্রামের তেপান্তর পুকুর, খাল-বিল, হাওর-বাওড় জলাভূমি ও পতিত পুকুরের ঝোপে-ঝাড়ে থাকা এই পাখিটি এখন হারিয়ে যাচ্ছে। রাতে কোয়াক কোয়াক ডাক শুনে সহজেই চিনতে পারা যায় তাকে। ডাহুকের লেজ ছোট। লেজের নিচের অংশ লালচে আভা সমৃদ্ধ। পিঠের রং ধূসর থেকে খয়েরী-কালো, মাথা ও বুক সাদা। পা লম্বা। ঠোঁট হলুদ, ঠোঁটের উপরে লাল রঙের একটি ছোট দাগ আছে। দেহ কালচে। মুখমন্ডল, গলা, বুক ও পেট সম্পূর্ণ সাদা।

মাটিতে ঝোপের তলায় এরা বাসা বাঁধে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর এদের প্রজননকাল। ৬/৭টি ডিম পাড়ে। ডিমের রং ফিকে হলুদ বা গোলাপী মেশানো সাদা। ডাহুক-ডাহুকী উভয়েই ডিমে তা দেয়। ডাহুক আসলে চিরবিরহী একটি পাখি। সঙ্গীহীন হলে এরা পাগল হয়ে যায়। বাচ্চাদের রং সব সময় হয় কালো। জলজ পোকা-মাকড়, উদ্ভিদের কচি ডগা, শ্যাওলা এদের প্রিয় খাবার। পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। কোনো কোনো জায়গায় এদেরকে ডাইক, পান পায়রা, ধলাবুক ডাহুক নামেও ডাকা হয়। সারা পৃথিবীতে প্রায় ৮৩ লাখ ৪০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে এদের আবাস। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী আইনে ডাহুক পাখিকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের অসতর্কতার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে পাখিটি। ডাহুক খুব সতর্ক পাখি। আত্মগোপনে পারদর্শী। বাসা করে পানির কাছে ঝোপঝাড়ের ভেতরে অথবা ছোট গাছের ঝোপালো ডালে। নিরাপত্তা ঠিকঠাক থাকলে মাটিতেও বাসা করে। প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতায়ও দারুণ লড়াকু পাখি এরা।

উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের খান বাড়ির বাসিন্দা কবি নুর মোহাম্মদ খান  বলেন, আমাদের মাথাভাঙ্গা বালুরচর এলাকায় ডাহুক দেখা যায়। বাড়ির সামনের ডোবার পাশে ঝোপে কতগুলো ডাহুক বাস করে।
কখনো দল বেঁধে ছানাসহ এরা বাইরে আসে। একটু শব্দ হতেই মা ডাহুকী তার বাচ্চাদের নিয়ে উধাও। চলে গেছে নিরাপদ আশ্রয়ে। তিনি বলেন, এখানে ডাহুক ধরতে আসে কিছু পাখি শিকারী। কিন্তু আমরা এইসব শিকারীদের সন্ধান পেলে তাড়া করি। এরপরও শিকারীরা থেমে নেই।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ