শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

দরিদ্রদের ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল

দর্পণ ডেস্ক / ৩৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক, ভূমিহীন কৃষক, নিম্ম আয়ের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীর মত দরিদ্রদের কম সুদে ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে এসব দরিদ্রদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ৩ বছর মেয়াদী ঋণ দেওয়া হবে।

ঋণের বিপরীতে কোন জামানত নেওয়া হবে না। বিশেষ সুবিধায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা জমা দিয়ে খোলা ব্যাংক হিসাবের গ্রাহকরাই এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন।
এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জারির দিন থেকেই এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক ও নিম্ম আয়ের মানুষদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। তহবিলের মেয়াদ হবে ৫ বছর। প্রয়োজনে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে। তহবিলের আকারও বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে এ তহবিলের জোগান দেওয়া হবে। এ তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদেরকে ঋণ দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শতভাগ অর্থায়ন করা হবে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সুদ নেবে মাত্র ১ শতাংশ। গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো নিতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ। তবে এর কমও সুদ নেওয়া যাবে।

এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র, মাইক্রো, ভূমিহীণ কৃষক, দর্জি, চা দোকানদারসহ এমন স্বল্প আয়ের পেশাজীবীরা ঋণ পাবেন। স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় হিসাব খোলা ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা ঝড়ে পড়েছেন তারাও এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন। তবে কোনও ঋণ খেলাপি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদ ভর্তুকির আওতায় ঋণপ্রাপ্তরা এ তহবিলের ঋণ পাবেন না।

একক গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, ২ থেকে ৫ সদস্যের গ্রুপ হলে প্রতি সদস্য ৪ লাখ টাকা করে গ্রুপে ২০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণের বিপরীতে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে দুইজন গ্রাহকের গ্যারান্টি দিতে হবে। ঋণের গ্রেস পিরিয়ড হবে ছয় মাস। গ্রেস পিরিয়ড ছাড়া পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।(তথ্যসূ্ত্র: যুগান্তর)


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ