চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় অনলাইনভিত্তিক ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়তে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। ডিজিটাল পদ্ধতির হাত ধরে মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ ও হয়রানি থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ভূমি ব্যবস্থাপনা।
ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দেশের প্রায় প্রতিটি পরিবারই সম্পৃক্ত। ভূমিসেবা নিতে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হতে হতো। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না, তাই ভূমি সেবা ছিল ব্যয়বহুল। তবে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে এই পরিস্থিতি।
মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ই-খতিয়ানের কাজ চলছে। তাই জাতীয় পরিচয়পত্র, পর্চা, মোবাইল নিয়ে স্ব-স্ব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হাবিব শাপলা । মঙ্গলবার ছেংগারচর পৌর ভূমি অফিস, কলাকান্দা, বাগানবাড়ি, ষাটনল ইউনিয়ন ভূমি অফিস’সহ কয়েকটি ভূমি অফিস পরিদর্শন করে ই-খতিয়ানের কার্যক্রমে অগ্রগতি দেখেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হাবিব শাপলা বলেন, মানুষ অনলাইনে ট্যাক্স দেবে সেটার একটা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এনআইডি ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ ফোন করে সারাদেশে পর্চার আবেদন করতে পারবেন। অফিসে যেতে হবে না, এটা আমরা চালু করতে ডাটা এন্ট্রির কাজ চলছে। এছাড়াও অনলাইনে শুনানি চলবে। অনেক সময় মানুষ শুনানির জন্য সশরীরে আসতে পারেন না। এজন্য যাতে মামলা খারিজ না হয়ে যায়। তিনি যেখানে থাকুক না কেন সেখান থেকেই যেন অনলাইনে মামলার শুনানিতে অংশ নিতে পারেন- সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জমির নামজারি-নিবন্ধন কার্যক্রম সমন্বয়ে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু একটি বড় পদক্ষেপ জানিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হাবিব শাপলা বলেন, অনলাইনে ভূমি কর দেয়ার প্লাটফর্মের কাজ চলছে। যাতে মানুষ নিজের রেজিস্ট্রেশনটা নিজে করতে পারেন। রেজিস্ট্রেশন করার পর একটা কনফারমেশন (নিশ্চিতকরণ) এসএমএস যাবে। ডিমান্ডটা পাঠানো হবে, এরপর তিনি যেকোনো ইনস্ট্রমেন্ট (পদ্ধতি) ব্যবহার করে পেমেন্ট পরিশোধ করতে পারবেন। ই-নামজারি চালু হয়েছে জানিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হাবিব শাপলা বলেন, ই-খতিয়ান এখন চলছে।