শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: শামা ওবায়েদ ইসলাম

দর্পণ ডেস্ক / ১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
ছবি : বাসস

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দেশের যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি দক্ষ জনশক্তি মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের গুরুত্বারোপের কথা তুলে ধরেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারকে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনাও করছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য বৈচিত্র্যকরণ, কৃষি, ক্রীড়া সহযোগিতা, জ্বালানি বাণিজ্য, সাপ্লাই চেইন অংশীদারিত্ব এবং তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করে।

প্রতিমন্ত্রী সাবেক প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মালয়েশিয়া সফরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, হালাল খাত উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্প সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, মালয়েশিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে গাড়ি সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারে এবং তরুণ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা জোরদারে একটি যৌথ ব্যবসায়িক পরিষদ গঠনের সম্ভাবনাও আলোচনা করা হয়।

জনশক্তি সহযোগিতার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার বহুমুখী ভিসা সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের জন্য বাংলাদেশি যুবকদের প্রস্তুত করতে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি জানান, বর্তমানে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করছে এবং দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষকরা অবদান রাখছেন।

বেসরকারি খাতের ভূমিকা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার কাছে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, সিরামিক, পাটজাত পণ্য ও তৈরি পোশাক আমদানি বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় একটি যৌথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবও দেন, যেখানে বাংলাদেশি সংস্কৃতি, খাবার ও ভাষা প্রচার করা হবে।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে বলেন, রবি ও এডটকোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে সমর্থন দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চান এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন, যার মধ্যে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাও অন্তর্ভুক্ত।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ