দেশে বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
আজ সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গ্রীষ্মকালে প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ঝড়-বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। ফলে সবসময় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব নাও হতে পারে।
তিনি আরও জানান, দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এই চাহিদা পূরণ এবং লোডশেডিং কমাতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি বহুমুখীকরণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এছাড়া বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি নিরীক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রথম ধাপে ময়মনসিংহ, ঘোড়াশাল ও নারায়ণগঞ্জে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানে এ কার্যক্রম চলছে।
শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ইতোমধ্যে ৪২ জন সনদপ্রাপ্ত জ্বালানি নিরীক্ষক ও ১৭৮ জন জ্বালানি ব্যবস্থাপক তৈরি করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।