বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো দ্বিধা বা দ্বন্দ্ব থাকবে না।
রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)–এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে পদটি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেবেন। এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই।
সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব আরও জানান, বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে তার স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করবে। যদি তিনি অংশ নেন, তা বিএনপির জন্য একটি বিরাট প্লাস পয়েন্ট হবে।
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে না, তবে দলীয় দাবি অনুযায়ী তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া আবাসন, অফিস ও গাড়ি ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি চলছে।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতিতে স্থায়ী জোট বা বন্ধুত্ব নেই। সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পার্টির রাজনৈতিক মিত্র পরিবর্তিত হতে পারে। বর্তমান সময়ের জন্য জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক দৃশ্যমান নয়, তবে সম্পর্কের কোন ত্রুটি নেই।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বিএনপির জোট, প্রার্থী বাছাই, ইশতেহার, জুলাই সনদ, গণভোটের দাবি এবং দেশে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার কৌশল নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।