শিরোনাম
সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতায় সন্তুষ্ট আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা শাহরাস্তিতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটা তারের বেড়া: ১৭টি পরিবার গৃহবন্দি, মানবেতর জীবন যাপন ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির দাম বড় পরিমাণে কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৫২৮ টাকা নজরুল কেবল অতীত নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: সড়ক ও রেলমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের ফ্লাইট থেকে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা হাবিপ্রবিতে হল সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি আরও ৬০ জনের অনলাইন জুয়া দমনে নতুন আইন, কার্যকর ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কাটল আইনি জটিলতা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন

পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে নাজির আহমেদ চৌধুরী ব্রিকস: শিশুশ্রম অবাধে

সুমন আহম্মেদ, মতলব উত্তর / ২৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২
মতলব উত্তরের কালীপুরে মেসার্স নাজির আহমেদ চৌধুরী ব্রিকস ।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বেশ কয়েকটি ইটভাটা চলছে আইন অমান্য করে। ইটভাটা আইন ২০১৩ না মেনে ইটভাটা চলছে। ইটের সঠিক ওজন ও মাপ কোনটাই নেই। যেমন ভাবে মানুষ ঠকছে তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর বসত বাড়ির একেবারে কাছাকাছি ইটভাটা স্থাপন হওয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ।এরমধ্যে আবার সরকারি অনুমতি ও পরিবেশের ছাড়পত্র নেই উপজেলার কালীপুরে অবস্থিত মেসার্স নাজির আহমদে চৌধুরী ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারস্ এর।

  • পরিবেশ ছাত্রপত্র ও সরকারি অনুমতিপত্র ছাড়া কিভাবে ইটভাটা চলছে?

এই প্রশ্নের জবাবে মেসার্স নাজির আহমদে চৌধুরী ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচারস্ (এনবিএম) এর দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার মোঃ শাহিন বলেন, আসলে আমাদের এই ইটভাটার কোন কাগজপত্র নেই। ডিসি অফিস ও প্রশাসন ম্যানেজ করেই ইটভাটা চালাচ্ছি। পরিবেশ ছাড়পত্র ও সরকারি অনুমতিপত্রের জন্য আবেদন করলেও এখনো পাই নি। এ ব্যাপারে মালিক জাফরিল চৌধুরীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে মেসার্স নাজির আহমদে চৌধুরী ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচারস্-এ গিয়ে দেখা গেছে, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ইটের মাপ ১০˟৫˟৩ ইঞ্চি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে মাপ অনেকটাই কম। যার ফলে মানুষ এই ইটভাটা থেকে ইট কিনে প্রতিনিয়তই ধোকা খাচ্ছে।

  • কয়টি কোয়ালিটির ইট তৈরি করা হয় এখানে?

এই প্রশ্নের সঠিক জবাবও দিতে পারেননি ইটভাটা কর্তৃপক্ষ। এদিকে ভাটা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৩০ ভাগই শিশু শ্রমিক। যাদের মধ্যে কারো বয়স ১২ বছর, কারো ১৩ বছর বা ১৪ বছর বয়সী। এই শিশু শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে। শুধু কিশোর দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে তা নয়, কিশোরীও আছে এই ইটভাটায়।

কথা হয় শিশু শ্রমিক সাহিদা আক্তারের সাথে। সে বলে প্রতি সপ্তাহে ৩ হাজার সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা পায় কাজ করে।

  • জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেন করছ এই কাজ?

তখন সে বলে আমার বাবা মা এখানে কাজ করে তাই আমিও এখানে কাজ করি। বাড়িতে কেউ নেই। ১২ ও ১৩ বছর বয়সী আরো দুই ছেলে শিশু শ্রমিকের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে, পেটের দায়ে আমরা এখানে কাজ করি। সপ্তাতে ২ হাজার আবার কোন সপ্তাহে তিন হাজার টাকা পাই। মেসার্স নাজির আহমদে চৌধুরী ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচারস্-এর শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর কারণে মারাত্মকভাবে আইন লঙ্গন হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ম্যানেজার মোঃ শাহিন বলেন, আমরা যখন উত্তরবঙ্গ থেকে শ্রমিক আনি। তখন তাদের সাথে ছেলে মেয়েরাও চলে আসে। তাই তাদের বা মা তাদেরকে দিয়ে কাজ করায়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ