চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মোবারকদি এলাকায় ধনাগোদা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বসতঘর, রান্নাঘরসহ বেশ কিছু স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে হঠাৎ ঝড়ে নদীর পাড় ঘেঁষে স্থাপিত এসব ঘর মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে পড়ে নদীতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, নদীগর্ভে বিলীন হওয়া ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন—মমতাজ বেগম (পিতা মৃত দিলু পেদা), মজু মিয়া (পিতা মৃত আবেদ শেখ), মনোয়ারা বেগম (স্বামী হোসেন মিয়া), কুলসুমা বেগম (স্বামী মৃত ইদ্রিস গাজী) এবং জয়নাল গাজী (পিতা মৃত ইসহাক গাজী)।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, নদী ভাঙনের কারণে এখনো শতাধিক পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যে কোনো সময় আরও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে তারা।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক মনির হোসেন মাতব্বর বলেন, “নদী পাড়ের এই ভয়াবহ ভাঙনে আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। বসতভিটা হারানোর ভয় আমাদের ঘিরে ধরেছে। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা আমাদের মতো দরিদ্র মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।”
নদী পাড়ের বাসিন্দারা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসকের কাছে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তারা পুনরায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেন।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে ধনাগোদা নদীর ভাঙনে পুরো এলাকাই বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।