চাঁদপুর জেলার সদরে সর্বাত্মক লকডাউনে সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
কঠোর লকডাউনের শুরু থেকেই সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুর রশীদের নেতৃত্বে পৌর শহরের বিভিন্ন হাট-বাজার,অলিগলি টহল দিতে দেখা গেছে। পৌর শহর সহ সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে পথচারী, দোকানী, রিক্সা ও ভ্যান চালকসহ সকলকে সতর্ক করে ঘরে থাকার আহবান জানান তিনি।
লকডাউনের প্রথমদিন সকাল থেকেই ওসি আবদুর রশীদের সরকারি নির্দেশনা পালনে কঠোর অবস্থানের কারনে রাস্তাঘাট ছিলো অনেকটাই ফাঁকা।গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী ও জরুরি সেবাদানকারী যানসহ সামান্য সংখ্যক রিকশা, মিশুক ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে- নিত্যপয়োজনীয় পণ্যের দোকান। সরকারের জারি করা বিধিনিষেধ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বাড়াতে পুরো শহর জুড়ে চলছে পুলিশের প্রচার-প্রচারণা।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি আবদুর রশীদ জানান, চাঁদপুর পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদের কঠোর নির্দেশনায় আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এই লকডাউনকে বাস্তবায়ন করতে শুরু থেকেই মাঠে অবস্থান করছি। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এই লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আমরা একদমই কাউকে রাস্তায় বের হতে দিচ্ছি না। লগডাউন বাস্তবায়ন ও মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিদিনই মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে সদর মডেল থানা পুলিশ। সরকার ঘোষিত এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে সদর, উপজেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। কেউ রাস্তায় বের হলে পড়তে হচ্ছে পুলিশের জেরার মুখে। কারো জরুরি কাজ থাকলে পুলিশ সদস্যরা তাদের দ্রুত কাজ শেষ করে ঘরে ফেরার নির্দেশনা দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, আবদুর রশীদ কিছুদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে তার কর্মস্থলে যোগদিয়ে আবার কর্মতৎপরতা শুরু করেছেন। এদিকে গত (১ আগস্ট) পোশাক কারখানাসহ রফতানিমুখী শিল্প-কারখানায় কাজে যোগ দিতে শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য গণপরিবহন ও লঞ্চ চলাচলের বিধিনিষেধ শিথিল করে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার।