চাঁদপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসাইনের কর্মতৎপরতায় ন্যায্যমুলো তরমুজ পেল ক্রেতাসাধারণ, এতে রোজাদার মানুষের মাঝে নেমে এলো এক শান্তির নিঃশ্বাস। এব্যাপারে কমদামে একটি তরমুজ কিনতেপেরে একজন গরিব রিস্কাড্রাইভার বলেন ভাই রোজারেখে বউ পোলাপাইন নিয়ে অনেকদিন পর খেতেপারবো তাই কমদামে একটি তরমুজ কিনতে পেরে খুব খুশি লাগছে এ সময় তিনি দু হাত তুলে ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসাইনকে দোয়া করেন।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান দেখে ৫’শ টাকার তরমুজ ১শ টাকায় ও ১শ’৩০টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এ অভিযান চলাকালে তরমুজ ব্যবসায়ীর কাছে কেনা মেমো দেখতে চায় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ।
তিনি দেখতে পান প্রতিটি তরমুজ ১শ টাকায় কেনা হয়েছে তিনি দোকানদার কে ৩০ টাকা লাভে প্রতিটি তরমুজ ১শ’৩০ টাকায় বিক্রির ঘোষনা দেন সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভিড় জমে যায় এবং জনগন হুরমুরিয়ে পড়েন তরমুজ কেনার জন্য, (৪ মে) সকালে শহরের ষোলঘর বাসস্টেন্ড চৌধুরী ঘাট ও বাবুরহাট এলাকায় চাঁদপুর বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের দ্বায়িত্ব পাওয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামাল হোসাইন নিজেই কৃষি বিপনন আইনে এ অভিযানেরর নেতৃত্ব দেন
এসময় তিনি বলেন, জনস্বার্থে বিপণন খাদ্য আইনের ১৯ ধারায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তখন ব্যবসায়ি মূল্য তালিকা ও ক্রয় রশিদ দেখাতে পারেনি। তারা একটা তরমুজের দাম এক থেকে দেড়শ টাকার স্থলে ৫০০ টাকায় নিচ্ছিল। জনগণকে দেড় দুই’শ টাকার মধ্যে তরমুজ কেনার জন্য মূল্য ধার্য করে দেওয়া হয়। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসাইনের সহকারী মোঃ মোশারফহোসেন মারুফ সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স গন উপস্থিত ছিলেন।