শিরোনাম
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ক্রোয়েশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, দুইজনের মৃত্যু  শিশুরা মানবিক পরিবেশ পেলে রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী শাহরাস্তিতে বিএনপি’র মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল গণমাধ্যম স্বাধীন আছে, অপসাংবাদিকতা কেউ সমর্থন করে না: তথ্যমন্ত্রী গাজীপুরে দেয়াল ধসে এক শিশুর মৃত্যু প্রযোজকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন শাকিব টাকার বিনিময়ে ব্লু ব্যাজ দেওয়া শুরু করলো ফেসবুক বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রস পার্টি সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ শাহরাস্তিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ভাই বোনের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জকে নতুন বউয়ের মতো সাজাতে চাই : শামীম ওসমান সাভারে প্লাস্টিক গোডাউনে আগুন ডেমরায় ট্রাক চাপায় প্রতিবন্ধী চালক নিহত আমির খানের সঙ্গে কাজ করতে চান অস্কারজয়ী মিশেল ইয়ো
রবিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর কন্টেন্ট থেকে যেভাবে শিশুদের বাঁচাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক / ১১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০
ছবি সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে নানা ধরনের রেকমেনডেশন পাঠানোর জন্য যেসব প্রোগ্রাম দেয়া থাকে, তা শিশুদের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। মানসিক অবসাদ কিংবা আত্মহত্যার জন্য তথ্য খুঁজছে যে টিনএজার তার কাছে এসব রেকমেনডেশন ইঞ্জিনগুলো আরও বেশি করে তথ্য পাঠায়।

অনেক শিশু অনলাইনে ভিডিও দেখে সেগুলো থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা পেতে পারে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর কন্টেন্ট ও ভিডিও থেকে শিশুদের দূরে রাখতে বাবা-মায়ের সচেতনতাটাই সবচেয়ে জরুরি।

ব্রিটেনের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ অফকমের হিসাব অনুযায়ী, ১২-১৫ বছর বয়সীদের ৯০ শতাংশের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে। এদের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজনের এখন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও রয়েছে।

আইন অনুযায়ী, জনপ্রিয় অ্যাপগুলোতে ১৩ বছর বয়সের নিচে কাউকে অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়ার কথা না। কিন্তু তা সত্ত্বেও শিশুরা এসব অ্যাকাউন্ট তৈরি করছে এবং তাদের ঠেকাতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কিছুই করছে না।

ব্রিটেনের শিশু রক্ষা চ্যারিটি ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েল্টি টু চিলড্রেন্স (এনএসপিসিসি) শিশুরক্ষা নীতি বিভাগের প্রধান এন্ডি বারোস জানান, শিশুরা এসব কন্টেন্ট দেখে যে ঝুঁকির মুখে পড়ছে তা বিবেচনা করার জন্য আইন তৈরি করে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করা উচিত।

চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে ফেসবুক ঘোষণা করেছে, আত্মহত্যা ও ক্ষতিকর কন্টেন্ট খুঁজে বের করতে এবং দূর করতে তারা ইনস্টাগ্রামে তাদের অটোমেটেড টুলের পরিধি আরও বাড়িয়ে দেবে।

কিন্তু ফেসবুক বলছে, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার ওপর ইউরোপের আইন এতই কঠোর যে এ ক্ষেত্রে তাদের খুব বেশি কিছু করার থাকে না।

শিশুদের প্রযুক্তির ভালো ও খারাপ বিষয়গুলো বোঝাতে হবে।  নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য অন্যান্য বিষয়ে যেভাবে শিশুদের শিক্ষা দেয়া হয়, তেমনি অনলাইনে নিরাপদ থাকার দক্ষতাও শিশুদের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে।

 

  • তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ