শিরোনাম
২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু বৃহস্পতিবার সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৩ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ট্রেনের ৩০০ যাত্রী বেনাপোলে দুর্বৃত্তের কোপে গুরুতর আহত রাজস্ব কর্মকর্তা বেনজীরের রিসোর্ট নিয়ন্ত্রণে নিলো প্রশাসন নরেন্দ্র মোদিকে নতুন সরকার গঠনের অনুমতি দিলেন রাষ্ট্রপতি নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ দৈনিক আমার সংবাদের এক যুগপূর্তি অনুষ্ঠিত ৫১২ আসনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা এশিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে বাংলাদেশের নারীরা
বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ১১:৩৬ অপরাহ্ন

তিমির পেটে ৪০ সেকেন্ড, তারপরও জীবিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

বিশাল আকৃতির হ্যাম্পব্যাক তিমি গিলে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রে মাইকেল প্যাকার্ড নামে এক লবস্টার শিকারিকে, প্রায় ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড পেটে থাকার পর তিমিটি এক পর্যায়ে তাকে মুখ থেকে লালার সঙ্গে বের করে দেয়।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলছে, প্যাকার্ডের গোড়ালি একটু মচকে যাওয়া ছাড়া তার আর কোন ক্ষতি হয়নি।

প্যাকার্ড জানান, তিনি সাগরের নীচে লবস্টার বা বড় আকারের চিংড়ি মাছের খোঁজ করছিলেন। তখন বিশাল ওই তিমিটি তাকে গিলে ফেলে। এরপর প্রায় ৩০-৪০ সেকেন্ড তিনি তিমির পেটের মধ্যে থাকেন।

৫৬ বছরের মাইকেল প্যাকার্ড বলেন, তিনি এবং তার সহযোগী মিলে তাদের নৌকা নিয়ে শুক্রবার সকালে হেরিং কোভে যান। সেখানে পরিবেশ ছিল চমৎকার এবং পানিতে দৃষ্টিসীমা ছিল প্রায় ২০ ফিট।

স্কুবা গিয়ার নিয়ে নৌকা থেকে পানিতে নেমে ডুব দেয়ার পরেই বিশাল একটা ধাক্কা অনুভব কবেন এবং সবকিছু অন্ধকার হয়ে যায়।

তিনি ধারণা করেছিলেন, তিনি হয়তো বিশাল আকৃতির সাদা তিমির হামলার শিকার হয়েছেন, যেগুলো ওই এলাকায় সাঁতরে বেড়ায়। আর তখন তিনি আশেপাশে অনুভব করছিলেন সেখানে কোন দাঁত নেই।

আর তখনই তিনি বুঝলেন, একটা তিমির মুখের ভিতরে চলে গেছেন তিনি। আর এটি তাকে গিলে ফেলার চেষ্টা করছে। তার মনে হচ্ছিল, এটাই শেষ, তিনি মারা যাচ্ছেন।

প্যাকার্ড বলেন, সেই সময় আমার স্ত্রী আর তার দুই পুত্রের কথা ভাবছিলাম। এরপর হঠাৎ করে এটি পানির ওপরে ভেসে উঠে প্রবলভাবে মাথা নাড়তে লাগলো।

‘আমাকে যেন বাতাসে ছুঁড়ে ফেলা হলো আর আমি আবার পানিতে পড়ে গেলাম। আমি মুক্ত হয়ে পানিতে ভেসে রইলাম। আমি সত্যি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না’, তিনি সাংবাদিকদের এভাবেই বেঁচে আসার ঘটনা বর্ণনা করেন।

তার সহযোগী, যিনি তখন পাগলের মতো পানিতে প্যাকার্ডের অক্সিজেনের বুদবুদ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন, তিনি দ্রুত তাকে ধরে নৌকায় তুলে নেন।

হ্যাম্পব্যাক তিমি ৫০ ফিট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং একেকটির ওজন হতে পারে প্রায় ৩৬ টন। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ডের তথ্য অনুযায়ী, এখন বিশ্বে এরকম তিমির সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।

হ্যাম্পব্যাক তিমি সাধারণত মুখ যতটা সম্ভব হা করে মাছ, ক্রিল বা অন্য খাবার খেয়ে থাকে। তবে সমুদ্র বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্যাকার্ডের ক্ষেত্রে যা হয়েছে, তা সম্ভবত একটি দুর্ঘটনা।

হ্যাম্পব্যাক তিমির পেটে যাওয়ার পরও ৪০ বছরের ডুবুরি পেশা ছাড়তে চান না মাইকেল প্যাকার্ড।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ