শিরোনাম
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যানসার আক্রান্তের পর প্রথমবার জনসম্মুখে ব্রিটিশ রাজবধূ ক্যাথরিন সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গোলাগুলি, প্রয়োজনে জবাব দেয়া হবে : কাদের পদ্মা সেতুতে ৫ কোটি টাকা টোল আদায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া আরাফার দিনের বিশেষ মর্যাদা ও আমল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু বৃহস্পতিবার সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৩ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ট্রেনের ৩০০ যাত্রী বেনাপোলে দুর্বৃত্তের কোপে গুরুতর আহত রাজস্ব কর্মকর্তা
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

মতলব কোল্ড স্টোরেজে অতিরিক্ত মূল্যে আলু বিক্রি

মো: রবিউল আলম, মতলব (দ;) / ৩০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও মার্চেন্ডাইজ কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডে অতিরিক্ত মূল্যে আলু বিক্রি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মূল্যে আলু বিক্রি করায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

এ কোল্ড স্টোরেজে প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন মনে করছেন সাধারণ কৃষকরা। সরকারি মূল্য তালিকার চেয়ে অধিক মূল্যে আলু বিক্রি করা হয় এখানে। অধিক মূল্যের কারণে এলাকার কৃষকরা আলু না কিনে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেক কৃষক।

প্রতি কেজি আলু ২৭টাকা হারে ৫০ কেজির প্রতি ব্যাগ আলুর দাম হয় ১৩শ ৫০ টাকা। চার্ট টানানো এবং সরকারি মূলে বিক্রির কথা থাকলেও তা মানছে না পাইকারী আলু ব্যবসায়ী ও মজুদকারীরা। এখানে প্রতিব্যাগ আলু বিক্রি হচ্ছে গড়ে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১শ টাকা দরে। কোল্ড স্টোরের কর্তৃপক্ষকে হাত করেই এ অধিক দামে আলু বিক্রি হচ্ছে। অনেক আলু ব্যবসায়ী ও এজেন্ডরা কম মূল্যে আলু ক্রয় করে এখন অধিক মূল্যে আলু বিক্রি করছেন। এখানে রয়েছে অসংখ্য দালাল। কেউ আলু বিক্রি করতে আসলে আলু কম দামে বিক্রি করতে নিষেদ করেন তারা। কেউ কম রেটে আলু বিক্রি করলে ঐ দালালরা দমকাদমকি ও করে থাকেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে ও টাকা নেন। বীজ আলু রেখে অতিরিক্ত আলু মজুদ রাখা যাবে না এমন কথা থাকলেও এ নিয়ম মানা হয় নি এ কোল্ড স্টোরেজে।

মতলবের নায়েরগাঁও বাজারের সবুজ মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী এখানে ২শ ৮০ বস্তা আলু মজুদ রেখেছেন। কম রেটে কিনে এখন বিক্রি করছেন অধিক মূল্যে। তাফাজ্জল নামে আরেক ব্যক্তি ৫০বস্তা আলু মজুদ রেখে ২ হাজার টাকা করে বিক্রি করেছেন। ঘোনা গ্রামের রশিদ ও পেয়ারী খোলা গ্রামের মান্নান ৪ বস্তা করে আলু কিনতে এসে অধিক মূল্যের কারণে ফিরত চলে যান।

এই কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মাসুদ আলী’র সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমরা কম মূল্যে আলু বিক্রির জন্য চার্ট টানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু মজুদদার কৃষকরা তা মানছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা হক’র সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায় নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ