শিরোনাম
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যানসার আক্রান্তের পর প্রথমবার জনসম্মুখে ব্রিটিশ রাজবধূ ক্যাথরিন সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গোলাগুলি, প্রয়োজনে জবাব দেয়া হবে : কাদের পদ্মা সেতুতে ৫ কোটি টাকা টোল আদায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া আরাফার দিনের বিশেষ মর্যাদা ও আমল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু বৃহস্পতিবার সৌদি পৌঁছেছেন ৭৬ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৩ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ট্রেনের ৩০০ যাত্রী বেনাপোলে দুর্বৃত্তের কোপে গুরুতর আহত রাজস্ব কর্মকর্তা
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

সৌদির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বদল!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তারই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অবস্থানও একটু নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন যুবরাজ। এখন থেকে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ করবে বাইডেন প্রশাসন।

যা এমবিএস নামে পরিচিত মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কের অবনতির লক্ষণ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব জেন সাকি মঙ্গলবার এই ঘোষণা দিয়েছেন।-খবর রয়টার্স ও এনটিভির

এর আগে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কাজ করতে পছন্দ ছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের। সৌদি আরবের কার্যত নেতা মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন  ট্রাম্পের জামাত জারেড কুশনার।

জেন সাকি বলেন, আমরা শুরু থেকেই পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কে আমরা পরিবর্তন আনতে চাই।

যুবরাজের প্রতি এই অবজ্ঞাপূর্ণ মন্তব্যের পাশাপাশি জেন সাকি বলেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও প্রথমবারের মতো ফোনালাপ করতে যাচ্ছেন বাইডেন।

সৌদিতে ৮৫ বছর বয়সী বাদশাহ সালমানের পর সিংহাসনের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এমবিএস নামে পরিচিত যুবরাজকে।

২০১৮ সালে ইস্তানবুলে কনস্যুলেটে যুবরাজের ঘনিষ্ঠ সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা নির্মমভাবে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করে।

এরপরেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাপের মধ্যে পড়েন মোহাম্মদ বিন সালমান। সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে নিজের যে খ্যাতি তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন, তাও ম্লান হয়ে যায়।

মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সৌদি আরবকে চাপ দিয়ে আসছে বাইডেন প্রশাসন। রাজনৈতিক বন্দিদেরও মুক্তি দিতে বলা হচ্ছে।

যুবরাজের সঙ্গে বাইডেন কথা বলবেন কিনা; প্রশ্নে জেন সাকি বলেন, সমমর্যাদার ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এখানে বাইডেনের সমকক্ষ হলেন বাদশাহ সালমান। কাজেই যথাসময়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তবে কখন আলাপ করা হবে; এ নিয়ে কোনো পূর্বাভাস দিতে চাননি জেন সাকি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ